1. admin@ictlbd.org : admin :
  2. bictl.bd@gmail.com : মোঃ রুমান মাহমুদ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি : মোঃ রুমান মাহমুদ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
  3. nipuriad56@gmail.com : Nipu riad :
  4. lalapala33@hotmail.com : rcsdulcie715391 :
  5. www.mdshaharulislamshahin@gmail.com : Md Shaharul Islam : Md Shaharul Islam
  6. sh.chamon@gmail.com : Sabbir Hasan : Sabbir Hasan
  7. bekarzeka@outlook.com : wolfgangmccurry :
শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরনামঃ
বঙ্গবন্ধুর ও আওয়ামী লীগের গণমুখী নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি নওগাঁয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ১ হাজার ৫শ ৫৮টি গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদান সশস্ত্র বাহিনী দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অণির্বানে পুষ্পস্তবক অর্পণ: প্রধানমন্ত্রী দেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার একজন আর্কিটেক্ট অপপ্রচারের জবাব দিতে আহবান : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষ আতঙ্কে নেই, বরং সন্ত্রাসী, অনিয়মকারী, দুর্নীতিবাজ এবং বিএনপির আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতারা আতঙ্কে আছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য বাংলাদেশ কি প্রস্তুত, Bangladesh will be the key leader of 4th Industrial Revolution  টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেনের মৃত্যুতে আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর শোক অদম্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের অর্থনীতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য অবদান রাখতে চাই: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে পেঁয়াজের সংরক্ষণে ও সংরক্ষণকাল বৃদ্ধিতে ডাচ প্রযুক্তি ও দক্ষতাকে কাজে লাগানো হবে প্রধানমন্ত্রী ও আইসিটি উপদেষ্টা অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হওয়ায় ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়াঃ একজন নিরহংকার সাদা মনের মানুষ বাংলাদেশের আইটি খাত একসময় পোশাক রপ্তানি খাতকে ছাড়িয়ে যাবে: সজিব ওয়াজেদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছেন : শুভেচ্ছা ‘উইটসা এমিনেন্ট পার্সনস অ্যাওয়ার্ড-২০২১’ পুরস্কারে ভূষিত :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে তিনটি দেশ থেকে করোনার ৬৮ লাখ ডোজ টিকা আসছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেবে : সজিব ওয়াজেদ জয় ‘সৃজনশীল অর্থনীতিতে’ অবদানের স্বীকৃতি দেয়ার জন্য ইউনেস্কোর সাথে একটি বৈশ্বিক পুরস্কার চালু নিজস্ব তহবিলে ক্লাইমেট ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছে বাংলাদেশ ASOCIO LEADERSHIP AWARD-2021’ পেয়েছেন আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সাজাপ্রাপ্ত এবং নেতৃত্ব শূন্য- এই বিএনপিকে মানুষ কেন ভোট দেবে? বাংলাদেশ ও ফ্রান্স আর্থিক সহায়তা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সংক্রান্ত তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর শিক্ষণ ও অনলাইন শিক্ষায় সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে ফেরাতে না পারলে বাংলাদেশ থেকে নিরাপত্তা ঝুঁকি বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে পারে ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেল ‘মোটিভ ক্রিয়েশন্স’ তারুণ্যের বাংলাদেশ যুবলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়াঃ একজন নিরহংকার সাদা মনের মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৩ Time View

 

বাঙালি জাতির এক গর্বিত ও আলোকিত মানুষের নাম ড. এম এ ওয়াজিদ মিয়া। এক বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী এই পরমাণু বিজ্ঞানী। ক্ষমতার শীর্ষ পর্যায়ে থেকেও তার নির্মোহ জীবনযাপন তাকে জাতির কাছে করেছে চির অমর।

ওয়াজিদ মিয়া ১৯৪২ সালে ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলার পীরগঞ্জের ফতেপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আব্দুল কাদের মিয়া ও মাতার নাম ময়জুন্নেসা। তিনি পিতামাতার ৭ সন্তানের মধ্যে সর্ব কনিষ্ঠ।

নিজ গ্রাম ফতেপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি ও পীরগঞ্জ থানার হাইস্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়ন শেষে ১৯৫২ সালের জুলাই মাসে রংপুর জেলা স্কুলে ভর্তি হন ওয়াজিদ মিয়া। ১৯৫৬ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেন এই স্কুল থেকেই। এরপর রাজশাহী সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন তিনি। ১৯৫৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক (বিজ্ঞান) কৃতিত্বের সঙ্গে পাশ করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিদ্যা বিভাগে ভর্তি হন।

১৯৬১ সালের প্রথম দিকে শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক আদশের্র প্রতি আকৃষ্ট হয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগে যোগদান করেন। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।

তত্‍কালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভণর্র ছিলেন জেনারেল আজম খান। যার বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন আস্তে আস্তে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে এবং জোরদার হতে থাকে। আন্দোলন শুরু হওয়ার ৩য় দিনে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন বিকাল ৬টায় বলেন- ওয়াজেদ, তুমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর মধ্যে একমাত্র নির্বাচিত সহ-সভাপতি, মুজিব ভাই তোমার সঙ্গে দেখা করতে চান। তুমি এখনি আমার সঙ্গে চল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩২ নম্বর বাড়িতে এম এ ওয়াজেদ মিয়ার এটাই ছিল প্রথম সাক্ষাত্‍।

ওই সময় ছাত্র আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়ার ১১ দিন পর ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে দেখা করার জন্য আসেন তার বন্ধু আঞ্জুমান। সাক্ষাত্‍ শেষে ফেরার পথে জেলগেটেই দেখা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারবগের্র সঙ্গে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এসময় এম. এ ওয়াজদ মিয়াকে পরিচয় করিয়ে দেন তার পরিবারের সকলের সঙ্গে। শেখ হাসিনার সঙ্গে ওয়াজেদ মিয়ার এটাই ছিল প্রথম দেখা।

এরপর তিনি ১৯৬৩ সালের ৩০ এপ্রিল তত্‍কালীন পাকিস্তান আণবিক শক্তি কেন্দ্রে যোগদান করেন। ১৯৬৭ সালের আগষ্টে পি. এইচ. ডি ডিগ্রী শেষ করেন তিনি। আর একই বছর ১৭ নভেম্বর শবে-বরাতের রাতে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়।

সে সময় বঙ্গবন্ধু ছিলেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়া বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গেলে বঙ্গবন্ধু তাকে একটি রোলেক্স ঘড়ি উপহার দেন। যা পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়া সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন দীর্ঘদিন।

পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়া ইতালীর ট্রিয়েষ্টস্থ আন্তর্জাতিক তাত্ত্বিক পদার্থ কেন্দ্রে ৬ মাস গবেষণা কর্ম শেষে ১৯৭৪ সালের ১ জানুয়ারি স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। ১৯৭৫ সালের ৯ আগষ্ট পশ্চিম জার্মানীস্থ বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর বিশেষ আমন্ত্রণে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়া শেখ হাসিনা, শেখ রেহানাসহ তার ছেলে জয় ও মেয়ে পুতুলকে নিয়ে জার্মানীর রাজধানী মেলবোর্ন সফর করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬ ঘটিকায় ঘুম ভাঙ্গে জার্মানীর রাষ্ট্রদূতের ডাকে। অত:পর তিনি জানতে পারেন যে, বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যা করা হয়েছে। এরপর ২৫ আগষ্ট আত্মরক্ষা এবং পরিবারের নিরাপত্তার জন্য আশ্রয় নেন ভারতে। ভারতের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকাকালে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে একবার ওয়াজেদ মিয়ার সাক্ষাত্‍ হয়।

১৯৭৫ সালের ৩ অক্টোবর পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়া ভারতীয় আণবিক শক্তি কমিশনের অধীনে আণবিক খনিজ বিভাগে দিল্লীস্থ কেন্দ্রে যোগদান করেন। ১৯৭৬ সালে ১ অক্টোবর সাময়িক ও দৈনিক ভিত্তিতে ভারতীয় আণবিক শক্তি কমিশন থেকে পমরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়ার জন্য একটি পোষ্ট ডক্টোরাল ফেলোশীপের বন্দোবস্ত করা হয়। ওই ফেলোশীপের শর্তানুসারে বাসা ও অফিসে যাতায়াতের সুবিধাদির অতিরিক্ত দৈনিক ভাতা প্রদান করা হতো ৬২ রুপি ৫০ পয়সা মাত্র।

১৯৭৭ এর গোড়ার দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোরারজী দেশাই ক্ষমতায় আসার পর ১৯৭৮ সালে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম.এ ওয়াজেদ মিয়ার পরিবারের উপর বিভিন্ন ধরণের চাপ ও হয়রানিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়।

এরই প্রেক্ষিতে ১৯৮১ সালের ১৭ মে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়া আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সামাদ আজাদ, এম কোরবান আলী ও মেয়ে পুতুলসহ শেখ হাসিনাকে ঢাকা পাঠান।

১৯৯২ সালে ৫ জুন পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম. এ ওয়াজেদ মিয়া স্ত্রী শেখ হাসিনা ও পুত্র জয়কে নিয়ে সৌদি যান সেদেশের বাদশার অতিথি হিসাবে। এরপর ৯ জুন পবিত্র হজ্জ ব্রত পালন করেন।

তিনি বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের ভৌত বিজ্ঞান সদস্য ছিলেন, পরবর্তীতে চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন এবং ১৯৯৯ সালে অবসর গ্রহণ করেন।

এর ১০ বছর পর ২০০৯ সালের ৯ মে ৬৭ বছর বয়সে এই কৃতি বিজ্ঞানী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে নিজ এলাকা পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর গ্রামে তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

sixteen − fifteen =

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2018 - 21.  LatestNews BICTL.

(ictlbd.org and  bd-tjprotidin.com উন্নয়ন প্রচারের অঙ্গিকার) --------------------------------------------------★★★-------------------------------------   বিঃদ্রঃ এই ওয়েবসাইট এর কোনো তথ্য ও ছবি হুবহু কপি করা সম্পূর্ন নিষেধ। ( N.T.B: copyrights not allowed)
ডিজাইন ও ডেভলাপ : মোস্তাকিম জনি