1. admin@ictlbd.org : admin :
  2. bictl.bd@gmail.com : মোঃ রুমান মাহমুদ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি : মোঃ রুমান মাহমুদ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
  3. www.mdshaharulislamshahin@gmail.com : Md Shaharul Islam : Md Shaharul Islam
  4. sh.chamon@gmail.com : Sabbir Hasan : Sabbir Hasan
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরনামঃ
গাইবান্ধায় তথ্য ও সম্প্রচার মাননীয় মন্ত্রী ডঃ হাছান মাহ্‌মুদ এমপির আগমন জ্যাকব টাওয়ার পরিদর্শন করেন মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মুমূর্ষু রোগীকে সাঘাটায় রক্তদান :তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ ‘ictlbd’ ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কিতে পৌঁছেছেন:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে অংশ নিতে যাত্রা ১৭ সেপ্টেম্বর মহান শিক্ষা দিবস মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও পটভূমি : বাংলাদেশ টিউলিপ সিদ্দিক: বহির্বিশ্বে বাঙালি তারুণ্যের অহংকার ঢামেক ছাত্রী হলে চালু হচ্ছে সরকারি ইন্টারনেট সংযোগ: ছাত্রলীগ নেত্রী জেরিন শিকদার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম পাঁচটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন ১৩ সেপ্টেম্বর শেখ রেহেনার জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় মানুষের পাশে দলীয় সংগঠনগুলো পাঠ্য বইয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ভাষন অন্তর্ভুক্তের নির্দেশ : হাইকোর্ট বাংলাদেশের গৌরবময় পথচলা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সততার শীর্ষে বিশ্বের সৎ ৫ নেতার তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩য় স্থানে আ.লীগ উপ-দপ্তর সায়েম খানের জন্মদিনে শুভেচ্ছা গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ইপিজেড স্থাপনের সিদ্ধান্তে আনন্দ মিছিল করেন উপজেলাবাসী গাইবান্ধায় নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্হ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার নগদ অর্থ ও খাদ্যশস্য বিতরণ ম্যাচ ক্রিকেটে ২য় টি-টুয়েন্টিতে জয় লাভ করে  ২-০ তে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে : শিক্ষা মন্ত্রী

গঠনতন্ত্র ও নীতিমালা বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ BICTL 

Mr Ruman Mahmud
  • Update Time : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ৪৬৪ Time View

  1. বিআইসিটিএল ডেস্কঃ
 প্রকাশিত: ২:০৩ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর  ১২, ২০১৮

গঠন তন্ত্র ও নীতিমালা-২০১৮-২১,
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ
(Bangladesh Information & Communication Technology League)
(BICTL)
স্হাপিতঃ১২ ডিসেম্বর ২০১৮.
অস্হায়ী কার্যলয়ঃ কাকড়াইল, ঢাকা  #রামপুরা, ঢাকা,
(১)অন্যন্য কার্যলয়  পল্লবী,মিরপুর, ঢাকা, অফিস/সম্ভব্য কার্যালয় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ঢাকা।
সাব অফিসঃ(১)স্হায়ী কার্যালয়ঃ বগুড়া জেলা।
ওয়েব সাইটঃwww.ictlbd.org,মে

ইলঃbictl.bd@gmail.com,

মোবাঃ০১৫৫৯-২৩৯১১৮.
——————————————————————————————————

গঠনতন্ত্র, ঘোসনা,প্রতিষ্ঠা ও নীতিমালাঃ(Constitution, Declaration, Establisher, Rules and Regulation)
—————————————— “ঘোষণা পত্র”

“বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ” বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আওয়ামীলীগ এর উন্নয়ন মুলক প্রচারনায় আওয়ামী লীগের একটি সহযোগী সংগঠন।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বরাবর আওয়ামীলীগ সহযোগি সংগঠন হিসাবে আবেদিত/প্রস্তাবিত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বা নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে ঘোষিত সংগঠন, আওয়ামীলীগ এর উন্নয়ন প্রচারে অনলাইন ৭০% ও মাঠ পর্যায়ে ৩০% প্রচারনার অঙ্গিকারে ৬৪ জেলায় একমাত্র সঠিক বৈধ ও সহযোগি সংগঠনের ডকুমেন্টস সহ সারা বাংলাদেশে জনগনের সমূখে আওয়ামীলীগ এর উন্নয়ন তুলে ধরে জনগনের মনে সরকারের প্রতি আস্হা ও বিশ্বাস তৈরী করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে চলেছে। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রুমান মাহমুদ। বর্তমান সাধারন সম্পাদক মৃধা বেলাল।  কমিটি নিম্নরূপঃ


উক্ত সহযোগি সংগঠনে আওয়ামীলীগ সমর্থক সহ সারা বাংলাদেশ ইচ্ছুক এবং ছাত্রলীগ, যুবলীগ,আওয়ামীলীগ এর সাবেক লোকদের নিয়ে কমিটির কাজ চলমান।কোনো গুজব বা অপপ্রচার কারী, বিএনপি র ঠাঁয় নেই।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে বিগত ধর্মীয় সামপ্রদায়িক চেতনা ভিত্তিক দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্ট পাকিসত্মান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর পরই। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তান রাষ্ট্র বাঙ্গালী জাতিকে শোষিত ও বঞ্চিত করছে। তিনি আরও উপলব্ধি করলেন, এই পাকিস্তান রাষ্ট্র দ্বারা বাঙ্গালী জাতির অধিকার আদায় কখনো সম্ভব হবে না।

তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২ এর শিক্ষানীতি আন্দোলন, ৬৬-এর ঐতিহাসিক ৬ দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০-এর নির্বাচন,সর্বোপরি ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।

প্রায় ৩০ লাখ শহীদের রক্ত, দুই লাখ মা-বোনের সম্ব্রমহানী ও ১ কোটি মানুষের গৃহহীন হওয়ার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী ধ্বংস লীলা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা পেলাম বাঙ্গালীর হাজার বছরের কাঙ্খিত শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীন বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখলেন, প্রকৃত গণতন্ত্র, শোষণহীন দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত এক অসামপ্রদায়িক দেশ।
কিন্তু স্বাধীনতার পর পরই পরাজিত প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগের নেতাদের রাজনীতির নামে হত্যা, খুন, রাহাজানি ও দেশের অর্থকরী স্থাপনাগুলো জ্বালিয়ে দিয়ে দেশব্যাপী এক অস্থিতিশীল রাষ্ট্র কায়েম করেছিল।
এই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি মুক্তিযুদ্ধের অগ্রসেনা, ইতিহাসের মহানায়ক সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাতের অন্ধকারে নির্মমভাবে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়।
বাঙ্গালী জাতি যখন অভিভাবকহীন রাজনৈতিক, অর্থৈনতিক, সামাজিক অবক্ষয়ের দ্বার প্রান্তে ঠিক তখনই স্বজন হারানো এক বুক বেদনা নিয়ে জাতির এক কঠিন ক্রান্তিলগ্নে জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা গণতন্ত্রের মানস কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশের মাটিতে পদার্পন করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কান্ডারী হিসেবে দলের সভানেত্রীর দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেন। জননেত্রী বাঙ্গালী জাতির মুক্তি দাতা হিসেবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সর্ব-শাসন বিরোধী দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ
প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক কঠিন আপোষহীন সংগ্রামে নিজেকে সমর্পণ করেন। বঙ্গবন্ধু শোষণমুক্ত অসামপ্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত কারারর লক্ষ্যে “দিন বদলের সনদ” নিয়ে “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সেই উদ্দেশ্যে ও আদর্শ বাসত্মবায়ন করার জন্য জননেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করত: জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাহার স্নেহধন্য সুপুত্র ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেস্টা জনাব সজিব ওয়াজেদ জয় সাহেবকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে আবেদন করে আওয়ামীলীগের নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ১২ ডিসেম্বর “বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের” নাম করণ ও প্রতিষ্ঠা সহ মাঠ পর্যায় ও অনলাইনে কার্যক্রম প্রথম শুরু করেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রুমান মাহমুদ,পিতাঃমোঃখাজা মিয়া,গ্রাম পশ্চিম করমজা,ডাকঃহাটকরমজা,থানাঃসোনাতলা, জেলাঃবগুড়া,বয়সঃ২৬ বছর,পেশাঃপাওয়ার প্লান্ট ইন্জিনিয়ার,বাংলাদেশী। একজন আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান।যাহার মাতামহ মহান বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিরুল ইসলাম একজন প্রকৃত মুজিব সেনা।

প্রতিষ্ঠাতা কালীন লগ্নে ছিলেন,
(৪)মোঃশাহবাজ আহম্মেদ শাওন,বগুড়া জেলা।
(৫)মোঃতাহেরুল ইসলাম,বগুড়া জেলা।
6.সাজেদুর আবেদিন শান্ত,৭.সোহেল রানা,আতিকুর রহমান বিপুল,মোঃ নজরুল ইসলাম,মোতাহার হোসেন,শরিফুল ইসলাম,মোকছেদ আলী,প্রমুখ। উপদেস্টা হিসাবে মরহুুুম এমপি আব্দুল মান্নান বগুড়া ১, এমপি ৩৬ বগুড়া ১ শাহাদারা মান্নান, সুপ্রিম কোর্ট এডভোকেট মিনহাদুজ্জামান লিটন, কেন্দ্রীয়  আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শফিক, ও আওয়ামীললীগ কেন্দ্রীয় সদস্য, জাহিদ সরকার উপ আওয়ামীলীগ সদস্য। কেন্দ্রীয় কমিটি প্রকাশিত রেঃজিঃ  ভূক্তগন স্হায়ী কমিটির সদস্য হিসাবে বিবেচিত হইবে।

“বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ” প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে দলের সকল সাংগঠনিক কমর্কান্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ উদ্দেশ্য ও শোষণ মুক্ত সোনার বাংলা গড়ার দূঢ় অঙ্গিকার, মাঠ পর্যায় ও অনলাইন সহ সকল সোশ্যাল মিডিয়ায় ও গনমাধ্যমে আওয়ামীলীগের পক্ষে,উন্নয়ন প্রচারনার অঙ্গিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাংবাদিক বা মিডিয়ারূপে আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়ন মুলক কাজ দেশবাসির সামনে তুলে ধরে মানুষের বিশ্বাস আস্থা অর্জনে ও সারা বিশ্বে অনলাইনে প্রচার করে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসাবে সম্মানিত করার লক্ষ্যে “বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের” আত্মপ্রকাশ হয়।
বাংলাদেশের সর্বত্র উক্ত সংগঠনের প্রগ্রামে আইন ও প্রশাসনের সর্বত্র সার্পোট থাকবে যাহা সর্ব আদালতে আবেদন মার্ফত ঘোষনা করা হইলো যাহা সর্বত্র ও সর্ব আদালতেও গ্রহনীয় হইবে।

পাতা -১

অনুচ্ছেদ : ১
১. নামকরণঃ
জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সজিব ওয়াজেদ জয় সাহেবকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে আবেদন করে ২০১৮ সালে ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ নামকরণ করেন জনাব মোঃ রুমান মাহমুদ, যাহা আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় বা মন্ত্রনালয় বা গন্যমান্যদের আবেদন এবং কোর্ট ঘোষনা সহ অন্যান্য মাধ্যমে লিপিবদ্ধ ও ঘোষনা করা হয়। এই সংগঠন বাংলাদেশ ব্যাপী এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসী বাঙ্গালীদের নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একটি মাঠ ও অনলাইন ভিত্তিক উন্নয়ন প্রচারনায় রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন।এছাড়াও অর্থনৈতিক,প্রতিষ্ঠানিক, সামাজিক সংগঠন হিসাবে কর্ম সংস্হানের সুয়োগ সৃষ্টি করে ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত দূর্নীতিমুক্ত চাঁদাবাজঁমুক্ত সন্ত্রানমুক্ত মাদকমুক্ত সুন্দর সমাজ গড়তেও কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারবে।

মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক এবং স্বাধীন বাংলার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত সকল শ্রেণীর নাগরিকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি আদর্শ সংগঠন। এই সংগঠনকে বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিলীগ নামে আখ্যায়িত করা হবে। অত:পর সংগঠন বলতে বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ বুঝাবে।

২. প্রতিষ্ঠাতাঃ
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, উদ্দেশ্য, লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য দিন বদলের সনদের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন মোঃ রুমান মাহমুদ।

প্রতিষ্ঠাতা কালিন প্রথম সদস্য,মোঃশাহবাজ আহম্মেদ শাওন ও মোঃতাহেরুল ইসনাল,বিকাশ সরকার, বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের নাম করণ ও প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তী সম্মেলনে বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের সম্মতি বা অনুরোধ ক্রমে কেন্দ্রীয় কাযর্করী কমিটির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠাতা / কার্যনির্বাহী সংগঠনের সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি বা অবসরগ্রহণ, পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠাতা সংগঠনের সম্মানিত উপদেষ্টা হিসাবে বিবেচিত হবেন। প্রতিষ্ঠাতা অবসর গ্রহণ পরবর্তী সংগঠনের সাংগঠনিক কোন কাজে
সমস্যা জটিলতা বা বিশৃংখলা অথবা সংগঠনের কোন ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিলে সেই সময়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং কার্যনির্বাহী কমিটি, প্রতিষ্ঠাতার নিকট থেকে আদেশ উপদেশ ও দিক নির্দেশনা গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠাতা সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য অবসর গ্রহণ পরবর্তী আজীবন সংগঠনের সার্বিক কার্যাবলী দেখাশুনা করবেন।প্রথম হইতেই সর্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠাতা কমিটি আজিবন কার্যকর ক্ষমতায় থাকিবে ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সকলের প্রধান হিসাবে গন্য হইবে। বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটি সভাপতি সহ প্রথম স্হায়ী কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ
প্রতিষ্ঠা কালীন সদস্য হিসাবে সম্মানে ভূষিত হবেন। এবং সংগঠনের জেলা কমিটি থেকে তৃণমূল পর্যায়ে পর্যন্ত সে সময়ের সাংগঠনিক সকল স্তরের নেতৃবৃন্দ সেই স্তরের কমিটির প্রতিষ্ঠা কালীন সদস্য হিসেবে গন্য হবেন। প্রতিটা কমিটিকে নির্ধারিত কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, বা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ অফিসকে বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আলাদা অফিসকে কেন্দ্র করে প্রচার প্রচারনার সহায়ক অফিস হিসাবে লিপিবদ্ধ করা হইবে সময় সাপেক্ষে।যাহা অপরিবর্তনীয় থেকে আওয়ামীলীগ সহ সর্বত্র ও সর্ব আদালতেও গ্রহনীয় বলে গন্য হইবে।

পাতা-২

অনুচ্ছেদ : ২
আদর্শ, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যঃ
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন দারিদ্র ও শোষণ মুক্ত সোনার বাংলা, শেখ হাসিনা ও সজিব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে বাংলাদেশ
আওয়ামীলীগের নীতি, আদর্শ, ও কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থৈনতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক,প্রচারনা অধিকার সংরক্ষণের জন্য সহযোগি শক্তি হিসেবে নিরলস ভাবে কাজ করবে। কোন অবস্থাতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নীতি
ও আদর্শের পরিপন্থী কোন কাজ করতে পারবে না। দূর্নীতি ও সন্ত্রাস মুক্ত,মাদকমুক্ত, চাঁদাবাজিঁমুক্ত সমাজ গঠনে দিন বদলের সনদের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের সফলতা, উন্নয়ন প্রচারনায় মাঠ ও অনলাইন সহ বিভিন্ন গন মাধ্যমে
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ সংগঠন আওয়ামীলীগ এর উন্নয়ন প্রচারনায় বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বে অনলাইন ও মাঠ পর্যায়ে উন্নয়ন প্রচারনায় অনলাইন-ওয়েব সাইড,অনলাইন পত্রিকা,টিভি চ্যানেলে প্রচার,ফেসবুক,ম্যাসেনজার,পেজ,পাবলিক গ্রুপ,ইউটিউব চ্যানেল,টুইটার,ইমো,ভাইবার সহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যম সহ মাঠ পর্যায়ে প্রেস পত্রিকা,পোস্টার,ব্যানার,ফেসটুন লিফলেট, বই পুস্তুক ,
ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং আলোচনা সভার মাধ্যমে দেশের জনগণকে অবগত করানো
কেন্দ্রীয়, বিভাগ,জেলা উপজেলা,ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংবাদিকের ভূমিকায় ও সোশ্যাল মিডিয়া ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে বঙ্গবন্ধুর দোহিত্র সজিব ওয়াজেদ জয় ও সুযোগ্য কন্যা, গণতন্ত্রের মানস কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার
হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই সংগঠন কাজ করবে। সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, সেক্সহার্দ ও সমপ্রীতি বজায় রাখবে।
মূলত: বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের মূল আদর্শ, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য এই তরুন সমাজের মেধাবী ছাত্রদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে মুজিব আদর্শে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়াতে শিক্ষা যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নতি স্লোগান হৃদয়ে
দেশাত্ববোধ জাগ্রত করত: দেশ প্রেমিক হিসেবে তৈরী করা ও উন্নয়ন প্রচারনায় মানুষের বিশ্বাস ও আস্হা তৈরী সহ সারা বিশ্বে উন্নত দেশ হিসাবে সম্মানিত করা যাতে আগামীতে দেশ পরিচালনায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ যোগ্য মেধাবী পার্লামেনটারিয়্যান খুঁজে পাই এবং তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কান্ডারী হিসেবে বঙ্গবন্ধুর মনোনিত প্রতীক নৌকার হাল শক্ত হাতে ধরতে পারে।

অনুচ্ছেদ : ৩
(১) পতাকাঃ
সংগঠনের পতাকা হবে আয়তাকৃতি উপরের ১/৩ ভাগ সাদা ডানদিকে চারটা স্টার, মাঝখানে ১/৩ ভাগ গাঢ় লাল, নীচের ১/৩ ভাগ হবে গাঢ়
সবুজ।

(২) মূলনীতিঃ
শিক্ষা যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নতি
(৩) মনোগ্রাম/লোগোঃ
এই সংগঠনের মনোগ্রাম নিজেস্ব তৈরী।সবুজ দাড় দ্বারা সাদা বৃত্তের মাঝে খচিত লাল সূর্যের মানচিত্র, উপরে স্যাটেলাইট, মাঝে বঙ্গবন্ধু সেতু ও তার নিচে নৌকা প্রতিক এবং বৃত্তের বাহিরে নিচে পতাকা। একটু বাহিরে জায়গা নিয়ে আরো একটা লাল রেখার বৃত্ত মাঝে উপরের অংশে লেখা বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ ও নিচে BICTL।
বাহিরে দুই পাশে সবুজ ও লাল পাতার সজ্জা।

অনুচ্ছেদঃ ৪
(১) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ঃ
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঢাকা মহানগরীতে অবস্থিত হবে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ কার্যালয় বা অস্হায়ী কার্যালয় হিসাবে কাকড়াইল, ঢাকা, উপ অফিস বগুড়া (স্হায়ী):

(২) ভাষাঃ
এই সংগঠনের দাপ্তরিক ব্যবহৃত ভাষা হবে বাঙ্গালী জাতির মাতৃভাষা, রাষ্ট্র ভাষা বাংলা। তবে, আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করা যাবে।

অনুচ্ছেদ : ৫
উপদেষ্টা : বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও সজিব ওয়াজেদ জয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর প্রধান ভূমিকা পালন করবেন। সংগঠনের বিশৃংখলা বা অসংগতি পরিলক্ষিত হলে বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের কেন্দ্রীয় কাযর্করী কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের আহবানে তাৎক্ষনিক জরুরী সভায় উপদেষ্টা মন্ডলী ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা কমিটি সমস্যা সমাধান কল্পে মূখ্য ভূমিকা পালন করবেন। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কাযর্করী কমিটি থেকে সংগঠনের সকল স্তরে সাংগঠনিক জটিলতা নিরসনে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের সাথে মতবিনিময় ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে সংগঠনের সহায়ক ভূমিকা পালন করবেন।
কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদকের পরিচালনায় উপদেষ্টা মন্ডলীর সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সভাপতিত্ব করবেন।
কেন্দ্রীয় ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল/সম্মেলনে উপদেষ্টা মন্ডলী বিচারকের দায়িত্ব পালন করবেন এবং কোনো ভোট প্রদান করতে পারবেন না।
কেন্দ্রীয় কাযর্করী কমিটির সকল সভায় উপদেষ্টা মন্ডলী সংগঠনের প্রয়োজনে উপস্থিত থাকতে পারবেন। বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সংগঠনের উপদেষ্টা হিসাবে গণ্য হবেন। উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য সংখ্যা হবে পনের জন বা অধিক হতে পারে। যারা সংগঠনের জন্য অর্থনৈতিক ও সকল সহযোগিতা করবেন।এছাড়াও উপদেস্টা/প্রতিষ্ঠাতা / কার্যনিবাহী কমিটিতে নির্ধারিত ফি অবশ্যই দিতে হইবে ফান্ডে যাহা সাংগঠনিক উন্নয়নের কাজে লাগানো হইবে।

পাতা-৩

অনুচ্ছেদঃ ৬
সাধারণ সদস্য পদঃ
জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে বাংলাদেশের যেকোন শ্রেণী পেশার সুস্থ্য নাগরিক এবং বিদেশে অবস্থানকারী প্রবাসী
বাংলাদেশী নাগরিকগণ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংগঠনের সদস্য ফরম পূরণ করে
সংগঠনের সাধারণ সদস্য হতে পারবেন।

সাধারণ সদস্য হওয়ার জন্য প্রত্যেক আবেদনকারীকে নির্ধারিত ৫০০ টাকা প্রদান পুর্বক সংগঠনের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক বরাবরে স্ব-স্বাক্ষরে সংগঠনের ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদনকারী সংগঠনের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী কোন কাজে লিপ্ত ছিলেন বলে প্রমাণিত হলে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক তার আবেদন নাকচ বা বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষন করেন।
আবেদন পত্র অনুমোদিত হলে তিনি সাধারণ সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। অত:পর স্ব-স্ব স্তরে সংরক্ষিত রেজিষ্টার বইয়ে তার নাম রেজিষ্টার ভুক্ত করা হবে ও তাহাকে সংগঠনের আইডি কার্ড প্রদান করা হইবে। রেজিষ্টার ভুক্ত প্রত্যেক সদস্যকে কোনো মাসিক চাঁদা দিতে হবেনা।(প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী)তবে বার্ষিক ৫০০/-দিতে হইবে কেন্দ্রীয় কমিটি,জেলা  কমিটি বাধ্যতামুলক)।
উপজেলা,ইউনিয়নের ও ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা।তবে আইডি কার্ড ভুক্ত হইতে চাইলে তারা উপরোক্ত নিয়মকে ফলো করিবেন।যেহেতু মাসিক কোনো সংগঠনের ফি নেই সুতরাং সভায় কমিটির ব্যয় বহন করিতে হইবে।বার্ষিক সভায় কেন্দ্রীয় শিদ্ধান্ত।যাহা ব্যয় বাদে ফান্ডের এ্যাকাউন্টে জমা হইবে।

অনুচ্ছেদ : ৭
সাংগঠনিক কাঠামো :
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের সাংগঠনিক স্তর হবে নিম্নরূপঃ
(১) বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ ওয়ার্ড শাখা (প্রাথমিক স্তর)
(২)বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ ইউনিয়ন শাখা
(৩) বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ উপজেলা / থানা শাখা
(৪) কলেজ শাখা/বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
(৫) মহানগর শাখা
(৬) বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ জেলা শাখা
(৭) বৈদেশিক শাখা
(৮) বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, বিভাগ কমিটি।
(৯) বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ ত্রি-বার্ষিক জাতীয় কাউন্সিল / সম্বেলন
(১০) প্রতিষ্ঠাতা স্হায়ী কমিটি,(অবিভাজ্য ও নতুন সদস্য গ্রহনীয় ফি প্রযোজ্য)

(অনুচ্ছেদ : ৮)
ওয়ার্ড/ইউনিয়ন/উপজেলা/কলেজ বা বিশ্ব বিদ্যালয়/জেলা/ গঠন প্রণালীঃ
ওয়ার্ড/ইউনিয়ন/উপজেলা/কলেজ বা বিশ্ব বিদ্যালয়/জেলা/সম্মেলনের অন্তত : ১৫ (পনের দিন) পূর্বে কমপক্ষে ২১/৩১/৪১/৫১/৭১/১০১/১২১/ জন নিয়মিত সদস্যের একটি তালিকা
পর্যায় ক্রমে ওযার্ড হইতে জেলা অবদি সংগ্রহ পূর্বক ইউনিয়ন/থানা/জেলা শাখা/কেন্দ্রীয় কমিটিী নিকট পেশ করবে। ১৫ দিন পূর্বেই নির্ধারিত পোষ্টার লিফলেট অথবা অন্যান্য
পদ্ধতিতে বহুলভাবে প্রচারিত তারিখে তালিকাভূক্ত সদস্যগণসহ সংশ্লিষ্ট শাখার নেতা ও কর্মরতদের উপস্থিতিতে ইউনিয়ন/থানা/জেলা/কেন্দ্রীয় কমিটির
প্রতিনিধির তত্ত্বাবধানে সকল ইউনিট শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঐক্যমতের ভিত্তিতে আলাপ আলোচনার
মাধ্যমে ওয়ার্ড/ইউনিয়ন/উপজেলা/কলেজ বা বিশ্ব বিদ্যালয়/জেলা কমিটি গঠন করবেন। (প্রয়োজনবোধ) তারা একই সাথে ১০ জন কাউন্সিলর নির্বাচন করবে। ঐক্যমতের ভিত্তিতে
সম্ভব না হলে, তালিকা ভুক্ত সদস্যগণ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ওয়ার্ড শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন
করবে। নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক খসড়া পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন পূর্বক উর্ধ্বতন শাখায় অনুমোদনের
জন্য পেশ করবেন। উর্ধ্বতন শাখা প্রস্তাবিত কমিটির অনুমোদন করবেন।

পাতা-৪

(অনুচ্ছেদঃ৯.০)
ওয়ার্ড,ইউনিয়ন,উপজেলা,জেলা, বিভাগ বা কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রথমে ৩ মাসের আহবায়ক কমিটি কমপক্ষে ১১-৩৫ জন সদস্যের সমন্নয়ে গঠিত হইবে।

(অনুচ্ছেদঃ ৯.১)
ওয়ার্ড শাখা (প্রাথমিক স্তর),এরপর, ইউনিয়ন শাখা,
উপজেলা শাখা,পৌর শাখা,কলেজ বা বিশ্ব বিদ্যালয় শাখা,জেলা শাখা।

বাংলাদেশের জেলা পর্যায়ে সকল উপজেলা মিলে জেলা কমিটি, সকল উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ গঠিত কমিটি বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ শাখা সংগঠনসমূহ প্রাথমিক স্তর ওয়ার্ড
পর্যায়ভুক্ত এবং নির্ধারিত ওয়ার্ড নিয়েই একটি ইউনিয়ন গঠিত। কোন ওয়ার্ডের কমপক্ষে ৩১ জন ও ইউনিয়ন কমিটিতে কমপক্ষে ৩১-৪১/৫১জন , উপজেলা/কলেজ বা বিশ্ব বিদ্যালয় ৪১-৫১/১০১ জন, জেলা শাখায় ৫১-১২১ জন পুরুষ ও মহিলা বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের সদস্য পদ গ্রহণ করলে সেখানে
ওয়ার্ড/ইউনিয়ন/পৌর,উপজেলা/কলেজ বা বিশ্ব বিদ্যালয়/জেলা কমিটি গঠন করা যাবে। ওয়ার্ড শাখা ইউনিয়ন শাখার সরাসরি তত্ত্বাবধানে কার্যনির্বাহ করবে,ইউনিয়ন শাখাকে উপজেলা এবং পৌর,উপজেলা বা কলেজ শাখাকে জেলা শাখা, এবং কলেজ/বিশ্ব বিদ্যালয়/জেলা শাখাকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সরাসরি তত্ত্বাবধানে কার্যনির্বাহ করবে এবং বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের নীতি, আদর্শ, প্রচারনা ও কর্মসূচী বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হইতে জেলার প্রতিটি পর্যায়ে মানুষের নিকট পৌঁছে দিবে। স্ব-স্ব এলাকার ও জেলা শাখার সর্ব স্তরে যুব
সমাজ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে উজ্জীবিত করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের পতাকা তলে সমবেত করবে ও আওয়ামীলীগ সরকারে সকল উন্নয়ন প্রচারনায় অংশ নেবে মাঠ পর্যায় ও অনলাইনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে।

ওয়ার্ড/ইউনিয়ন/উপজেলা/পৌর/কলেজ বা বিশ্ব বিদ্যালয়/জেলা কমিটি কাঠামো হবে নিম্নরূপঃ

(১) সভাপতিঃ ১ জন
(২) সহ-সভাপতিঃ সদস্য অনুসারে)জন
(৩) সাধারণ সম্পাদকঃ ১ জন
(৪) যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদকঃ (সদস্য অনুসারে) জন
(৫) সাংগঠনিক সম্পাদক : ১ জন
(৬)সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকঃ(সদস্য অনুসারে)জন
(৭) প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ ১ জন
(৯) সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ ১/২ জন
(১০) দপ্তর সম্পাদকঃ ১ জন
(১১) সহ দপ্তর সম্পাদকঃ ১/২ জন
(১২) অর্থ সম্পাদকঃ ১ জন
(১৩) সহ অর্থ সম্পাদকঃ ১ জন
(১৪) আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(১৫) সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(১৬) শিক্ষা ও সাংসৃতি বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(১৬) সহ শিক্ষা ও সাংসৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(১৭) ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদকঃ ১ জন
(১৮) সহ ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদকঃ ১ জন
(১৯) ক্রীড়া সম্পাদকঃ ১ জন
(২০) সহ-ক্রীড়া সম্পাদকঃ ১ জন
(২১) স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(২২) মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকাঃ ১ জন
(২৩) সদস্যঃ (মোট সদস্যের উপর ভিত্তি করবে) জন, অন্যান্য পদবি,

মোট = (ওয়ার্ড) ৩১, (ইউনিয়ন) ৪১ জন,(উপজেলা,পৌর শাখা কলেজ,বিশ্ব বিদ্যালয়) ৫১//৭১/১০১ জন,(জেলা) ৫১-১২১ জন।
বিঃদ্রঃ(৩১-১২১) সদস্যের ক্ষেত্রে পদ গুলো পর্যায় ক্রমে কম বেশি হতে পারে।

পাতা-৫

অনুচ্ছেদঃ১০,
সময় কালঃ কেন্দ্রীয় কমিটি ৫ বছর মেয়াদ কাল।

অনুচ্ছেদ : ১১
ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর শাখা ও অন্যান্য বিভাগ ও মহানগরঃ
ঢাকা মহানগরের ধানমন্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগ, লাগবাগ, নিউমার্কেট, চকবাজার, শাহবাগ,রমনা, কোতয়ালী, সুত্রাপুর, বংশাল, ওয়ারী, যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুর, ডেমরা, সবুজবাগ, মতিঝিল, মুঘদা, পল্টন, খিলগাঁও, রামপুরা, তেজগাঁও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা এবং
মোহাম্মদপুর, আদাবর, শাহআলী, দারুস সালাম, মিরপুর, রুপনগর, পল্ল-বী, কাফরুল, ভাষানটেক, শেরেবাংলা নগর, গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট, খিলখেত, বাড্ডা, ভাটারা, উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, উত্তরখান, দক্ষিন খান সমূহের সমন্বয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা কমিটি গটিত হবে। উভয় শাখা জেলার মর্যাদা ভোগ করবেন।
দেশের রাজধানী শহর বিধায় ঢাকা মহানগর কমিটিতে জেলা কাঠামো ৭১ জন সদস্য বিশিষ্ট ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হবে এবং দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী শহর বিধায় চট্টগ্রাম মহানগর কমিটিও ৭১ সদস্য বিশিষ্ট হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে ওয়ার্ড সমূহ
ইউনিয়ন শাখার মর্যাদা ভোগ করবে। প্রতিটি ওয়াডের্র আওতায় সর্বনিম্ন ৫টি এবং সবোর্চ্চ ৯টি ইউনিট কমিটি মহানগর কার্যনির্বাহী কমিটির প্রস্তব ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে উলেস্নখিত পদ্ধতিতে গঠন করা যাবে। ইউনিট কমিটি ওয়ার্ড কমিটির মর্যাদা ভোগ করবে। ইউনিট কমিটির কর্মকর্তা ওয়ার্ড শাখার অনুরূপ ৩১/৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করতে পারবে।

অন্য মহা নগর বা বিভাগীয় কমিটিতেও একই ভাবেই ৫১-৯১ সদস্য বিশিষ্ট গঠন হবে।

অনুচ্ছেদ : ১৪
১। শাখা সংগঠন সমূহের সভাপতি :
তিনি স্ব-স্ব শাখার প্রধান বলে বিবেচিত হবেন। শাখার সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সভায় কোন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বিভক্তি দেখা দিলে কার্যনির্বাহী কমিটির সহিত পুন : সমন্বয় করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন। এরূপ ক্ষেত্রে তিনি প্রয়োজন বোধ করলে সাধারণ সম্পাদকের সাথে পরামর্শ করতে পারেন। যে কোন সভা আহব্বানের জন্য তাহার পরামর্শ সাধারণ সম্পাদক ৩ (তিন) বার উপেক্ষা করলে তিনি নিজে ঐ সভা আহবান করতে পারবেন।
সাধারণ সম্পাদকের সাথে পরামর্শক্রমে যে কোন কর্মকর্তা বা সদস্যকে সংগঠনের স্বার্থে যে কোন দায়িত্ব প্রদান করতে পারবেন। অধসত্মন শাখাসহ নিজ শাখার যে কোন নেত্রীবৃন্দ বা সদস্যকে তাহার দায়িত্বের জন্য কৈফিয়ত চাইতে পারবেন। দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে তিনি কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উর্ধ্বতন সকল স্তরে জবাবদিহি করবেন।
(২) শাখা সংগঠন সমূহের সাধারণ সম্পাদক :
তিনি স্ব শাখার মুখ্য সচিব হিসাবে গণ্য হইবেন। সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের পরামর্শ মোতাবেক সকল সভা আহবান
করবেন। কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সিদ্ধান্ত তারা সম্পাদক মন্ডলীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করবেন। এত সংক্রান্ত সম্পাদক মন্ডলীর সভায় তারা সভাপতিত্ব করবেন। কার্যনির্বাহী সদস্যগণকে তাহাদের কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য উপদেশ ও নির্দেশ প্রদান এবং কৈফিয়ত চাইতে পারবেন। নিজ দায়িত্ব পালনে সভাপতি বা সাধারন সম্পাদকের পরামর্শ গ্রহণ করবেন এবং সভাপতি, কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উর্ধতন সকল স্তরের নিকট তাহার দায়িত্বের জন্য জবাবদিহি করবেন।
(৩) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা :
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রচারনার অন্যতম মাধ্যম একটি সংগঠন। শাখা কমিটি হিসেবে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি জেলা কমিটির মর্যাদা সম্পূর্ন হবে। এবং বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সাংগঠনিক কাঠামো জেলা কমিটির সমতুল্য ৭১ সদস্য বিশিষ্ট হবে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক নির্দেশিত সকল নিয়ম কানুন মেনে চলতে বাধ্য থাকবে। কোন অবস্থাতেই ভ্রাতৃ পরিবেশ বা কাজ করা যাবে না সম বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সঙ্গে হিংসা বা দ্বন্দে লিপ্ত হওয়া যাবেনা। কোনো অপপ্রচার সম্পূর্ন নিশেধ।কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হইলে উক্ত কমিটি বাতিল হইবে।আওয়ামীলীগ নির্দেশিত সকল কমর্সূচী ও সংগঠনের সকল কর্মসূচী সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করবে।

(৪) কলেজ ও হল শাখা :
দেশের সকল সত্মরের কলেজ কমিটি সমূহ বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের উপজেলা/থানা কমিটির মর্যাদা সম্পন্ন হবে। বিশ্ববিদ্যালয় হল শাখা কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক পাশ হবে। এবং কলেজ কমিটি কেন্দ্রীয় কার্যকরি কমিটি কর্তৃক পাশ হবে। কলেজ হল শাখা কমিটি কলেজ কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে। কলেজ কমিটির সাংগঠনিক কাঠামো হবে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট।

অনুচ্ছেদ : ১২
বৈদেশিক শাখা :
দেশের বাহিরে যে কোন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশের ৭১ জন নাগরিক বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ এর সদস্য পদ গ্রহণ করলে সেই দেশে, নিজ দেশের জেলা কমিটির অনুরূপ ৭১ সদস্য বিশিষ্ট শাখা কমিটি গঠন করা যাবে। এই কমিটি জেলা শাখার মর্যাদা ভোগ করবে। সংশ্লিষ্ট দেশে বসবাসরত বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের সদস্য সংখ্যা, পরিবেশ, প্রবাসীদের প্রয়োজনীয়তার দিকে লক্ষ্য রেখে বিশেষ বিবেচনায় কার্যনির্বাহী কমিটি পরবর্তী সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এই কমিটির সদস্য সংখ্যা হ্রাস বা বৃদ্ধি করতে পারবেন।

পাতা -৬

অনুচ্ছেদ : ১৩
কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদ :
১। বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের কেন্দ্রীয় কাযর্করী সংসদের কমিটির ১৫০ জন কার্যকরী সদস্য এবং কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক মনোনীত ৫১ জন সদস্যের সমন্বয়ে সর্বমোট ২০১ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদ বা কমিটি গঠিত হবে। যাহা নীতি নির্ধারণী কমিটি হিসেবে বিবেচিত হবে। কমিটি বছরে কম পক্ষে ৩ (তিন) টি সভায় মিলিত হয়ে কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের গৃহীত সকল সিন্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দান কার্যনির্বাহী কমিটি কমর্কান্ড পর্যালোচনাসহ পরবর্তী কাউন্সিলে অনুমোদন সাপেক্ষে সংগঠনে উন্নয়নের জন্য যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় কমিটির জেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক/আহবায়ক, যুগ্ম আহবায়কগণ এবং থানা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক/আহবায়ক এবং যুগ্ম আহবায়ক গণের সমন্বয়ে সভাটি কেন্দ্রীয় কমিটির বর্ধিত সভা হিসাবে অভিহিত হবে। এই সভা সংগঠনের প্রয়োজনে যে কোন সময় আহবান করা যাবে। সংগঠনের সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করবেন। কেন্দ্রীয় কমিটির কোন পদ শূন্য হইলে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বা ৪/৫ সদস্য কমিটি করে আলোচনার মাধ্যমে শূন্য পদ পূরণের সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যগণ প্রতি ৩ মাস পর ৩০০ টাকা হারে মাসিক চাঁদা বাধ্যতামূলক ভাবে নিয়মিত পরিশোধ করবেন সাংগঠনিক ফান্ডের জন্য।

২। বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের তৃতীয় বার্ষিক জাতীয় কাউন্সিল/সম্বেলন এবং বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের কেন্দ্রীয় কার্য পরিচালনার জন্য ১ জন সভাপতি, ১ জন সিনিয়র সহ-সভাপতি ৫১ জন সহ-সভাপতি, ১ জন সাধারণ সম্পাদক, ১ জন সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১৫ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১ জন প্রধান সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ১৬ জন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, অতিরিক্ত ৮ জন সাংগঠনিক সম্পাদক, ১ জন প্রচার সম্পাদক, ৮ জন বিভাগীয় প্রচার সম্পাদক, ১৮ জন পূর্ণ সম্পাদক, ৩৬ জন সহ সম্পাদক, অন্যান্য ১২ জন এবং অবশিষ্ট ৫১ জন সদস্য । এই নেতাকর্মীগণ সম্মিলিত ভাবে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সদস্য সংখ্যা হবে ২২১ জন।
কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের কমিটির কাঠামো হবে নিম্নরূপঃ
(১) সভাপতিঃ ১ জন
(২) সিনিয়র সহ-সভাপতিঃ ১ জন
(৩) সহ-সভাপতিঃ ৫১ জন
(৪) সাধারণ সম্পাদকঃ ১ জন
(৫) সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ ১ জন
(৬) যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকঃ ১৫ জন
(৭) প্রধান সাংগঠনিক সম্পাদকঃ ১ জন
(৮) বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকঃ ১৬ জন
(৯) অতিরিক্ত সাংগঠনিক সম্পাদকঃ ৮ জন
(১০) প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ ১ জন
(১১) বিভাগীয়-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকঃ ৮ জন
(১২) দপ্তর সম্পাদকঃ ১ জন
(১৩) সহ দপ্তর সম্পাদকঃ ৫ জন
(১৪) অর্থ সম্পাদকঃ ১ জন
(১৫) সহ অর্থ সম্পাদকঃ ২ জন
(১৬) আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(১৭) সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ ১০ জন
(১৮) সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(১৯) সহ-সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকঃ ২ জন
(২০) ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদকঃ ১ জন
(২১) সহ ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদকঃ ২ জন
(২২) সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(২৩) সহ- সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ ২ জন
(২৪) শিল্প ও বানিজ্যিক বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(২৫) সহ-শিল্প ও বানিজ্যিক বিষয়ক সম্পাদকঃ ২ জন
(২৬) আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(২৭) সহ- আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ ২ জন
(২৮) স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(২৯) সহ স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকঃ ২ জন
(৩০) তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(৩১) সহ- তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকঃ ২ জন
(৩২) ছাত্র বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(৩৩) সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদকঃ ৪ জন
(৩৪) শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ ১ জন
(৩৫) সহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ ২ জন
(৩৬) শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদকঃ ১ জন
(৩৭) সহ- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদকঃ ২ জন
(৩৮) জনশক্তি ও কর্মসংস্থানঃ ১ জন
(৩৯) সহ- জনশক্তি ও কমর্সংস্থানঃ ২ জন
(৪০) ক্রীড়া সম্পাদকঃ ১ জন
(৪১) সহ-ক্রীড়া সম্পাদকঃ ২ জন
(৪২) ধর্ম বিষয়কঃ ১ জন
(৪৩) সহ ধর্ম বিষয়কঃ ২ জন
(৪৪) মহিলা সম্পাদিকাঃ ১ জন
(৪৫) সহ- মহিলা সম্পাদিকাঃ ২ জন
(৪৬) সদস্যঃ ৫১ জন অন্যান্য পদবি।
মোট = ২২১ জন

পাতা -৭

অনুচ্ছেদ : ১৪
সভাপতিঃ
১। বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ লীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক সংগঠনে প্রধান বলে বিবেচিত হবেন। গঠনতন্ত্রের ব্যাখ্যা প্রদান করবেন। জাতীয় কাউন্সিল, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, সভাপতি বা সভাপতি মন্ডলী সভায় সভাপতিত্ব করবেন। তাহাদের অনুমোদনক্রমে সভাপতি মন্ডলী ও সম্পাদক মন্ডলী এবং নির্বাহী সদস্যগণ যথপযোগিভাবে এবং পৃথক ভাবে স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনে গাফিলতি ও অবহেলার কারণে সভাপতি সংগঠনের যে কোন স্তরের, যে কোন নেতানেত্রী বা সদস্যের নিকট কফিয়ত তলব করতে পারবেন।কোনো ভাবেই কাউকে ছোট করে ভাবা যাবে না। কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিভক্তি দেখা দিলে সভাপতি গঠনতন্ত্রের ব্যাখ্যা প্রদান পূর্বক ব্যাক্ষা প্রদান করবেন। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের সাথে আলোচনা ও মতামত সাপেক্ষে সকল সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
২। সহ-সভাপতি :
সংগঠনের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট সহ সভাপতি সংগঠনের প্রধান অর্থাৎ সভাপতিকে দায়িত্ব পালনে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করবেন। সহ সভাপতি প্রতি ১ মাসে অন্তত একবার সভায় মিলিত হবেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সভাপতির পরামর্শক্রমে সভা আহবান করবেন নিম্নতর কমিটি সমূহের নির্বাচন সহ সংগঠনে আভ্যানত্মরীণ কোন বিরোধ দেখা দিলে তার মিমাংসার জন্য সভাপতি মন্ডলী ও সম্পাদক মন্ডলী ট্রাইব্যুনাল হিসাবে কাজ করবে।
সভাপতির সাময়িক অনুপস্থিতিতে তার মনোনীত এবং তার দ্বারা মনোনয়ন সম্ভব না হলে উপস্থিত সহ-সভাপতি গনের মধ্য হতে ক্রমানুসারে প্রথম সিনিয়র সহ-সভাপতি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। স্থায়ীভাবে সভাপতির পদ শূন্য হলে কার্যনির্বাহী কমিটির যোগ্য ব্যক্তিকে বা সহ সভাপতিগণের মধ্য হতে একজনকে কার্যকরী সভাপতি হিসেবে অবশিষ্ট দের জন্য নির্বাচিত করবেন।প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন দায়িত্ব গ্রহন করবেন। সংগঠনের কোন সদস্য শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ড অথবা নৈতিকতা পরিপন্থী আচরণের জন্য অভিযুক্ত হলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অথবা শাস্তিমূলক ব্যবস্হা প্রত্যাহার পূর্বক স্বপদে বহাল করতে
পারবেন।প্রয়োজন বোধে আইনের হাতে সমর্পন করা হইবে।

অনুচ্ছেদ : ১৫

সাধারন সম্পাদক :

সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের মূখ্য কর্ম সচিব। তিনি সংগঠনের প্রাণকেন্দ্র। কেন্দ্রীয় কাউন্সিল, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সিদ্ধান্ত তিনি সম্পাদক মন্ডলীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করবেন। সম্পাদক মন্ডলী,সভাপতি মন্ডলীসহ এবং কার্যনির্বাহী সকল সদস্য তার নিকট হতে দায়িত্ব বুঝে নিবেন এবং তার নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। সভাপতির পরামর্শক্রমে তিনি কার্যনির্বাহী কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি ও সভাপতি মন্ডলীর সভা আহবান করবেন এবং স্বীয় দায়িত্ব পালনে সভাপতির পরামর্শ গ্রহণ করবেন। সাধারণ সম্পাদক তার কার্যাবলীর জন্য কার্যনির্বাহী কমিটির নিকট জবাবদিহি করবেন। তার সাময়িক অনুপস্থিতিতে যুগ্ম সম্পাদকগণ ক্রমানুসারে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন। স্থায়ী ভাবে পদ শূন্য হলে কার্যনির্বাহী কমিটি যুগ্ম সম্পাদকগণের মধ্য হতে বা যোগ্য একজনকে অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত করবেন। সভাপতির অনুপুস্থিতে তিনি কার্যনির্বাহী কমিটি সভায় সভাপতিত্ব করতে পারবেন। সভাপতির পদত্যাগ পরবর্তী ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উভয় দায়িত্ব পালন করবেন। এবং সহসভাপতিগনের মধ্য থেকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্ধারণ করবেন।

অনুচ্ছেদ : ১৬
১। সাংগঠনিক সম্পাদক :
সংগঠন বিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দেশের সকল অঞ্চলে সংগঠন গড়ে তোলা, পরিচর্যা করা ও সংগঠনকে গতিশীল করার লক্ষ্যে দায়িত্ব পালন করবেন। কার্যনির্বাহী কমিটি, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রদত্ত অত্র সংক্রান্ত সকল দায়িত্বসহ অর্পিত অন্যান্য সকল দায়িত্ব পালন করবেন, স্ব স্ব দায়িত্ব প্রাপ্ত এলাকা সম্পর্কে নিয়মিত সাধারণ সম্পাদককে অবহিত করবেন, পরামর্শ গ্রহণ করবেন এবং সাধারণ সম্পাদকের নিকট বিভাগীয় সাংগঠনিক জেলা সমূহের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক জবাবদিহি করবেন।
২। সম্পাদক মন্ডলী :
সম্পাদক মন্ডলী সাধারণ সম্পাদকে দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতা সহ কার্যনির্বাহী কমিটি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন। সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শ ও নির্দেশ গ্রহণ করবেন। স্বীয় দায়িত্বের জন্য কার্য্যনির্বাহী কমিটি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিকট জবাবদিহী করবেন এবং তাদের উপর অর্পিত সকল সম্পাদকীয় দায়িত্ব পালন করবেন।

অনুচ্ছেদ : ১৭
উপ-কমিটি বা সাব কমিটি :
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ সকল স্তরে সাংগঠনিক প্রয়োজনে অথবা সংগঠনের যে কোন কাযর্ক্রম অথবা কমর্সূচী সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে সু-সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কেন্দ্রে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, অন্যান্য স্তরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থায়ী অথবা অস্থায়ী উপ-কমিটি বা সাব কমিটি গঠন করতে পারবেন। প্রয়োজন শেষে অথবা দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতার জন্য বিলুপ্ত অথবা
পুন : গঠন করতে পারবেন। কেন্দ্রে একজন সহ-সভাপতি অথবা
একজন যুগ্ম সম্পাদক অন্যান্য সত্মরে একজন সহসভাপতি অথবা একজন যুগ্ম সম্পাদক এই কমিটির আহবায়ক হবেন। কমিটির কর্মবিধি ও গুরুত্ব বিবেচনায় একজন যুগ্ম সম্পাদককে এই কমিটির যুগ্ম আবহায়ক ও করা যেতে পারে। বিভাগীয় সম্পাদক হবেন সদস্য সচিব। এই কমিটির সর্ব মোট ১১/১৩/১৫ সদস্য বিশিষ্ট হবে। কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে কোন বিষয়ে এই কমিটির বিরোধ দেখা দিলে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

(পাতা-৮)

অনুচ্ছেদ : ১৮
কেন্দ্রীয় ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল :
বাংলাদদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সংগঠনের সর্বোচ্চ জাতীয় পরিষদ হিসেবে গণ্য হবে। এই পরিষদ প্রতি বছর বা ২ বছর পর ১লা ডিসেম্বর হতে ৩১ শে জানুয়ারী এর মধ্যে বা প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ১২ ডিসেম্বর একবার সভায় মিলিত হবে। জাতীয় কাউন্সিল কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকান্ড অনুমোদন, নতুন কর্মসূচী প্রণয়ন, গঠনতন্ত্র সংযোজন, ঘোষণাপত্র অনুমোদনসহ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে। কেন্দ্রীয় ত্রিবার্ষিক সম্বেলন/ জাতীয় কাউন্সিল এবং অন্যান্য স্তরে ত্রিবার্ষিক সম্মেলন নামে অভিহিত হবে। কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক গৃহিত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সমূহ পরবর্তী কাউন্সিলে অনুমোদন দিতে হবে।

অনুচ্ছেদঃ ১৯
কাউন্সিলারঃ
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের শাখাসমূহ চূড়ান্ত মঞ্জুরী প্রাপ্তির পর সর্বোচ্চ ২০ দিনের মধ্যে কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত এবং সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর সম্বলিত কাউন্সিলার তালিকা উর্ধতন শাখায় পেশ করবে। তবে আরও কম সময়ের মধ্যে উর্ধতন শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠানের জন্য তারিখ নির্ধারিত থাকলে অবশ্যই সম্মেলনের পূর্বেই অধঃস্তন শাখার কাউন্সিলার নির্বাচন ও নির্বাচিত কাউন্সিলার গণের তালিকা উর্ধতন শাখায় পেশ করতে হবে। প্রত্যেক ওয়ার্ড শাখা স্ব-শাখায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যগণের মধ্য হতে ১০ জন কাউন্সিলার নির্বাচিত করবেন। এভাবে ৯টি ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত ৯*১০=৯০ জন + ইউনিয়ন শাখা নির্বাহী কমিটি ৪১ জন সদস্য সমন্বয়ে ইউনিয়ন শাখার কাউন্সিল গঠিত হবে। অনুরূপভাবে প্রত্যেক ইউনিয়ন শাখা কর্তৃক নির্বাচিত স্ব-স্ব শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৫ জন করে নির্বাচিত কাউন্সিলার এবং থানা শাখার নির্বাহী কমিটির ৫১ জন সদস্য সমন্বয়ে থানা শাখার কাউন্সিল গঠিত হবে।
প্রত্যেক থানা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২০ জন করে কাউন্সিলার জেলা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির ৭১ জন সদস্যদের সমন্বয়ে জেলা কাউন্সিল গঠিত হবে। প্রত্যেক জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নির্বাচিত ২৫ জন কাউন্সিলার এবং কেন্দ্রীয় ১৫১ জন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক মনোনীত ৫০ জনের সমন্বেয় কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠিত হবে। সংখ্যায় হিসাবে দাঁড়ায় ৭৮টি সাংগঠনিক জেলা ২৫ জন + বিশ্ববিদ্যালয় ২৫ + ২২১ + ৫০ জন। এক তৃতীয়াংশ কাউন্সিলারের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। মৃত্যু, বহিস্কার অথবা পদত্যাগ জনিত কারণে কাউন্সিলার পদ শূন্য হলে নিম্নতর শাখা ৩০ দিনের মধ্যে উর্ধ্বতন শাখাকে অবহিত করবে এবং তদস্থলে নতুন কাউন্সিলার নির্বাচিত করে উধ্বর্তন শাখায় প্রেরণ করবে।

অনুচ্ছেদঃ ২০
সভার বিজ্ঞপ্তি ও কোরামঃ
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সাধারণ সভা ৭ (সাত) দিনের নোটিশে আহ্বান করা যাবে এবং ৫১ (একান্ন) জন সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। সাধারণ সভার বিজ্ঞপ্তি ডাক মারফৎ/মেইলে অবহিত প্রাপ্ত নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে সদস্যদের নিকট প্রেরণ করা যাবে। জরুরী সভা প্রেস বিজ্ঞপ্তি অথবা সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে আহ্বান করা যাবে। বিশেষ প্রয়োজন সভাপতিমন্ডলী এবং সম্পাদক মন্ডলীর সভা ১২ (বার) ঘন্টার নোটিশে আহ্বান করা যাবে।
সংগঠনের অন্যান্য স্তরে সাধারণ সভা ৩ (তিন) দিনের নোটিশের আহ্বান করা যাবে এবং এক তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে। শাখা সংগঠন সমূহের কার্যনির্বাহী কমিটি এবং অর্ধস্হন শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক, যুগ্ম-আহ্বায়ক সমন্বয় বর্ধিত সভা ৭ (সাত) দিনের নোটিশে আহ্বান করা যাবে। কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ৩০ (ত্রিশ) দিনের নোটিশে আহ্বান করা যাবে। অনুরূপভাবে অন্যান্য সকল স্তরে কাউন্সিল অনুষ্ঠানের জন্য ন্যুনতম ১৫ (পনের) দিনের নোটিশ প্রয়োজন হবে। কেন্দ্রীয় কমিটির সভা এবং কেন্দ্রীয় কমিটির বর্ধিত সভা ৭
(সাত) দিনের নোটিশে আহ্বান করা যাবে। ৫১ জন সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হবে।

অনুচ্ছেদঃ ২১
অব্যাহতি বা পদত্যাগঃ
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের যে কোন সদস্য স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে সুনির্দিষ্ট কারণ প্রদর্শনপূর্বক সংগঠনের সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদনের মাধ্যমে তার দায়িত্ব হতে অব্যাহতি অথবা প্রাথমিক সদস্য পদ হতে পদত্যাগ করতে পারবে। অব্যাহতি প্রদানের ক্ষেত্রে সকল আবেদন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রহণ বা নাকচ করতে পারবে। পদত্যাগ পত্র প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্ট শাখা কমিটি বিবেচনা পূর্বক মতামতসহ সিদ্ধান্তের জন্য উর্ধ্বতন শাখায় পেশ করবে।
কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি থেকে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পর্যন্ত যে কেউ পদত্যাগ করতে চাইলে কার্যকরী কমিটির নিকট তার পদত্যাগ পত্র পেশ করতে হবে। কার্যনির্বাহী কমিটি জরুরী সভার মাধ্যমে তার পদত্যাগের ব্যাপারে চুড়ান শিদ্ধান্ত নিবেন। কার্য়করী কমিটির কোন সদস্য সংগঠন পরিপন্থী/অপরাধ/অপপ্রচার/সংগঠনকে বিভাজন তৈরী করার চেষ্টা করলে কেন্দ্রীয় কমিটির তার ব্যপারে জরুরী সভার মাধ্যমে কাযর্করি কমিটির কোরাম পূর্ণ পূর্বক অনাস্থা/অব্যাহতি গ্রহণ করতে পারবেন এবং তাহার গুরু অপরাধে প্রয়োজনে প্রশাসনগত বা আইনগত ব্যবস্হা নেওয়া হইবে।

(পাতা-৯)

অনুচ্ছেদঃ ২২
কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন ও অনুমোদনঃ
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের ওয়ার্ড শাখা থেকে জেলা শাখা পর্যন্ত সকল স্তরে উধ্বতন শাখার প্রতিনিধির তত্ত্বাবধানে, সংশ্লিষ্ট শাখার কাউন্সিলারগণ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করবেন। অতঃপর নির্বাচিত ২ (দুই) দিনের মধ্যে উধ্বতন শাখার নিকট পেশ করবেন। উর্ধ্বতন শাখা নিম্নতর শাখার বৃহত্তর স্বার্থে কোন পদে পরিবর্তন প্রয়োজন মনে করলে নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পরামর্শ দিতে পারবেন এবং সংশোধনসহ চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যে কোন শাখার বৃহত্তর স্বার্থে অথবা সাংগঠনিক প্রয়োজনে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করবেন। অতঃপর নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পূর্ণাঙ্গ খসড়া কমিটি গঠনপূর্বক অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে পেশ করবেন। প্রয়োজনে তারা বিদায়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারবেন। সংগঠনের সকল স্তরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পরবর্তী কার্যনির্বাহী
সভায় মঞ্জুরী গ্রহণ সাপেক্ষে উধঃতন শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির স্বাক্ষরে অনুমোদন করবেন।

অনুচ্ছেদঃ২৩.
প্রথম কমিটির প্রতিটা জেলা, উপজেলা,ওয়ার্ড, মহানগর,বিভাগ গঠন কালে দ্রুত কমিটি গঠন করা হবে এবং পূর্নাঙ্গ কমিটির আগে যাচাই বাচাই পর পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন হবে। আওয়ামীলীগ সমর্থক, অবসর প্রাপ্ত ছাত্রলীগ,যুবলীগ সহ অন্যান্যদের নিয়ে অনলাইন ও মাঠ পর্যায়ে কমিটি গঠন হবে।ছাত্রলীগ বা যুবলীগ বা আওয়ামীলীগ এর অন্য সহযোগি সংগঠন হইতে স্বইচ্ছায় কেহ কমিটি গঠনে ও কমিটিতে থাকতে পারবে।সকলকেই সরকারের উন্নয়ন প্রচারনায় সাংবাদিক হয়ে অনলাইন ও মাঠ পর্যায়ে আওয়ামীলীগ এর সাথে উন্নয়নে অংশ নিতে হবে।

অনুচ্ছেদঃ ২৪
১। দলীয় শৃংখলাঃ
বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের কোন সদস্য বা নেতাকর্মী সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী, নৈতিকতা বিরোধী, সমাজবিরোধী, আর্থিক অনিয়ম,দূর্নীতি ও মাদক সহ সন্ত্রাসী বা অন্য কোন অপরাধমূলক কমর্কান্ডে জড়িত হন অথবা রাজ?
রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিমন্ডলে অশালীন, অসৌজন্যমূলক, উচ্ছৃংখল অথবা অরাজনৈতিক আচরণ করেন, অথবা প্রদর্শন করেন, তবে তার বিরুদ্ধে অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। অপরাধ সম্পর্কে নিশ্চিত হলে শাখা সংগঠনসমূহে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ব্যতীত অন্যান্য নেতাকর্মী ও সাধারণ সদস্যের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, এবং শাখা সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ক্ষেত্রে উর্ধ্বতন শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কারণ দর্শানোর নোটিশ অথবা পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি প্রদান অথবা সদস্য পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করে অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী অপরাধকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশসহ বিষয়টি কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিকট চূড়ান্ত শাস্তির জন্য প্রেরণ করবেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের তদন্ত অথবা ব্যক্তিগত শুনানীর মাধ্যমে অপরাধ সম্পর্কে নিশ্চিত হলে অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী শর্তকীকরণ বা হুশিয়ারী, অথবা পদ থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা চূড়ান্ত অব্যাহতি অথবা সদস্য পদ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা চূড়ান্তভাবে বাতিল করতে পারবেন। সংগঠন থেকে বহিস্কারের ক্ষমতা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সংরক্ষণ করেন।
আর্থিক অনিয়ম ব্যতিত অন্যান্য অভিযোগ ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন শাখার অভিযুক্ত ব্যক্তি জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে সংগঠনের সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদনের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে গৃহিত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার, হ্রাস অথবা পুনরায় কোন অপরাধমূলক কমর্কান্ডে জড়িত না হওয়ার অঙ্গিকার প্রদানপূর্বক ক্ষমা প্রার্থনা অথবা আপীল করতে পারবেন। আপীল বা ক্ষমা প্রার্থনার সময়সীমা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) দিন।
২। সংগঠনের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হলে তার প্রাথমিক শাস্তি হবে পদ থেকে অব্যাহতি অথবা সদস্য পদ স্থগিত, ক্ষেত্র বিশেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সহ ক্ষতিপূরন দিতে হইবে অথবা চূড়ান্ত শাস্তির মত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রহণ করতে পারবেন।
৩। সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, অন্যান্য স্তরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং কার্যনির্বাহী কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত এবং গঠনতন্ত্রে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে যে কোন নেতাকর্মী সদস্যকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, অন্যান্য স্তরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাযোগ্য কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি, হুশিয়ারী প্রদান ও সদস্য পদ থেকে জরুরী মনে হলে বহিস্কারের মত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।

৪। বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের নীচের কোন শাখায় স্থবিরতা দেখা দিলে সাংগঠনিক অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে সামাজিক, রাজনৈতিক, অথবা অর্থনৈতিক, অপরাধমূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে অথবা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হলে থানা শাখা নিজ ক্ষমতা বলে ওয়ার্ড শাখা এবং জেলা শাখার অনুমতিক্রমে ইউনিয়ন শাখার কাযর্ক্রম সর্বোচ্চ ১ মাসের জন্য স্থগিত করতে পারবে। জেলা শাখা নিজ ক্ষমতা বলে ইউনিয়ন শাখার এবং কেন্দ্রের অনুমতিক্রমে থানা শাখার কাযর্ক্রম সর্বোচ্চ ২ মাসের জন্য স্থগিত করতে পারবে। কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি যে কোন শাখার কাযর্ক্রম সর্বোচ্চ ৩ মাসের জন্য স্থগিত করতে পারবে। এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শাখা তাদের অপরাধ সম্পর্কে অনুশোচনা প্রকাশ এবং পুনরাবৃত্তি না করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করলে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা যাবে। অন্যথায় উল্লেখিত কমিটি বিলুপ্ত করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করতে পারবে। এরূপ ক্ষেত্রে বিলুপ্ত কমিটির অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ পরবর্তী মেয়াদে কোন পদে প্রার্থী হতে পারবে না।

৫.কমিটির জন্য ভোটার হয়েছে এমন সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে।স্বেচ্ছায় ১৮ বছরের কাছাকাছি ১৭/১৬ বছর একটিভ সক্রিয়দের গ্রহনীয়।

অনুচ্ছেদঃ ২৫
সাধারণ নীতিমালা সমূহঃ
১.প্রতিনিয়ত আওয়ামীলীগ সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড অনলাইন ও মাঠ পর্যায়ে প্রচারনা করতে হবে নির্ধারিত নিজ সংগঠনিক মাধ্যম ও নিজ আইডি হইতে।
কোনো গুজব বা সংগঠন বিরোধী বা আওয়ামীলীগ বিরোধি কাজে লিপ্ত হওয়া যাবে না।সৎ নিস্ঠার সহিত সংগঠনের সকল নিয়ম কানুন মেনে কার্যক্রম করতে হবে।
২. সংগঠনের সকল স্থরের গৃহিত সিদ্ধান্ত সমূহ অবশ্যই গঠনতন্ত্র, দলের নীতি, আদর্শ, লক্ষ্য ও কর্মসূচীর সঙ্গে সামঞ্জস্য পূর্ণ হতে হবে।
৩। সংগঠনের নিম্নতর কমিটি উচ্চতর কমিটির নির্দেশ মেনে চলবে। সংগঠনের নিম্নতর কমিটি উচ্চতর কমিটির নিকট নিয়মিত প্রতিবেদন পেশ করবে এবং পরামর্শ ও নির্দেশ গ্রহণ করবে। উচ্চতর কমিটি নিয়মিতভাবে নিম্নতর কমিটিকে সামগ্রিক কার্যধারা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করবে এবং প্রয়োজনীয় দিক নিদের্শনা প্রদান করবে।
৪। সংগঠনের উচ্চতর কমিটি যে কোন সদস্য নিম্নতর কমিটির সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কিন্তু তার কোন ভোটাধিকার থাকবে না। সকল স্তরের, সকল কমিটির সভার কার্যবিবরণী পরবর্তী সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করতে হবে।
৪। বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগের কোন সদস্য একই সঙ্গে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে জেলা কমিটির একাধিক স্তেরে নেতাকর্মী হিসেবে থাকতে পারবেন। মূল সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও তাহার অন্যান্য সহযোগী সংগঠনসমূহের কোন স্তরে নেতাকর্মী থাকতে পারবে না কিন্তু যদি কেহ স্বেচ্ছায় থাকতে চায় তাহলে সে উভয়েই থাকতে পারবে।তবে অবসর প্রাপ্তগন শত ভাগ গ্রহনীয়।

৫.উল্লেখ যে তথ্য প্রযুক্তি বা যোগাযোগ প্রযুক্তি নামে অন্য কোনো সংগঠনে থাকতে পারবে না।উপরোক্ত অবস্থায় পদ গ্রহণকারী সদস্য পদ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে অব্যাহতি নিতে বাধ্য থাকবে তাহলে উক্ত সংগঠনে তাহার পদ বলবল থাকিবে।
অন্যাথায় তাহার পদ বাতিল বলে গন্য হইবে।
৬। কার্যনির্বাহীতে সংগঠনের একই স্থরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যে কোন পদে ৩ বার দায়িত্ব পালনের পর কোন ব্যক্তি উভয় পদে ৪র্থ মেয়াদের জন্য ঐ স্থরের কোন পদে প্রার্থী হতে পারবে না। পরিবর্তন গ্রহনীয়।

৭.প্রতিষ্ঠাতা কমিটির প্রধান ও সদস্যগন আজিবন উক্ত ক্ষমতায় উপদেস্টা হিসাবে ক্ষমতা বল প্রাপ্ত হইবে।কার্যনির্বাহী কমিটি না থাকলেও তারা সকল বিষয়ে হস্তক্ষেপ ও সকলের উপরোস্হ ও সর্ব ক্ষমতার অধিকারী হবে।
৮.সকল প্রোগ্রাম কেন্দ্রীয়, জেলা,উপজেলা,ইউনিয়ন,ওয়ার্ড সহ সকলের আর্থিক সহযোগিতায় ও সার্বিক সহযোগিতায় হবে।
৯.সাংগঠনিক নির্ধারিত ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থাকবে অর্থ তহবিলের জন্য।
১০.সংগঠনের সহযোগি হিসাবে ব্যক্তিমালিকানাধীন বিভিন্ন গন মাধ্যম থাকবে।
সংগঠনের নিজেস্ব ওয়েব সাইড bictl.org আছে।ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ,ইউটিউব চ্যানেল,টুইটার ইত্যাদি রয়েছে।
১১.দাগি আসামী বা অপরাধ জনিত দাগি আসামী গন সংগঠনে অন্তর্ভূক্ত হবেনা। মিথ্যা মামলার ক্ষেত্রে সঠিক প্রমান ও প্রতিবাদ গ্রহনীয়।
১২. বয়স ন্যুনতম ১৮ হতে হবে।নিম্ন স্তরে বয়স ১৭ বা কাছাকাছি গ্রহনীয়।
১৩.আওয়ামীলীগের সমর্থিত অঙ্গ সংগঠনের সমর্থক হতে হবে।
১৪. দূর্নীতিবাজ, মাদকের সাথে জড়িত, ইভ টিজিং এর সাথে জড়িত, রাষ্ট্র ও আইন বিরোধী কাজ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কার্যকলাপ এ যুক্তদের কমিটি ও সংগঠনে স্থান হবে না।
১৫. সংগঠনের নিয়ম-কানুন ও নীতিমালা মেনে চলতে হবে
১৬. সংগঠনের জন্য ত্যাগ ও সময় দিতে হবে.
১৭.এন্ড্রয়েড মোবাইল/কম্পিউটার/ ল্যাপটপ থাকতে হবে এবং ফেইসবুক আইডি থাকতে হবে।প্রচারনা ও উচ্চ হইতে নিম্ন স্তরে কমিটি গঠনে কাজ করতে হইবে।
১৮. সংগঠন চালানো এবং নেতৃত্বে দেওয়ার মতো সততা, ক্ষমতা, দক্ষতা, সামর্থ্য, যোগ্যতা থাকতে হবে।
১৯. বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের এবং জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার আদর্শিক রাজনৈতিক চিন্তা ধারার হতে হবে।
২০.কোনো সুনাম ক্ষুন্য ও অপ কর্মের দায়ভারের জন্য সংগঠন বা উর্ধ্বস্হগন দায়ী থাকিবেনা।
২১.রেশারেশি, তর্ক,ভন্ডামী, মিথ্যাচার ও সংগঠন সুনাম ক্ষুণ্য করা যাবেনা।
২২.সর্বপরি সৎ নীতিবান অপরাধ মুক্ত, সরকার পক্ষ হয়ে,অনলাইন ও মাঠ পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় মুল লক্ষ্য।

অনুচ্ছেদ -২৬
অপশক্তি রোধ,ভিত্তি ও সরকারী সহায়তাঃ
১.সংগঠনে ভিতর/বহিরাগত কোনো অপশক্তির অপপ্রচার বা ক্ষতির কড়া জবাব সাংগঠনিক, প্রশাসন ও আইনের মাধ্যমে দেওয়া হবে।
মাঠ পর্যায়,অনলাইনে কোনো বিভ্রান্তি বা সংগঠনের সাইডে কোনোরূপ ক্ষতির সম্ভবনা বা করিলে এর জন্য তাদের বিরুদ্ধে জোর হুশিয়ারি ও প্রয়োজনে তদন্ত মার্ফত মামলা দায়ের হবে।
যাহা আইনে উক্ত সংগঠন এর পক্ষে রায় প্রদানে সর্বত্র ঘোষনা দেওয়া হইলো।

২.সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা সময় সাপেক্ষ গ্রিহীত হইবে।

৩.মন্ত্রনালয়/আওয়ামীলীগ সুপারিশ, কোর্ট ঘোষনা,বানী ও অন্যান্য সহ বঙ্গবন্ধু ম্যামোরিয়াল ট্রাস্ট হইতে সহযোগি সংগঠনের আবেদন ও রেঃজিঃ আছে/থাকবে।প্রয়োজনে যুক্তফ্রন্ট(জয়েন স্টোক) হইতেও আবেদন ও রেঃজিঃ থাকবে।

৪.উক্ত সম্পূর্ণ কোর্ট ঘোষনা সর্বত্র ও সর্বোচ্চ আদালতে গ্রহনীয় হইবে এবং কেন্দ্রীয় কমিটির স্পেশাল ও সর্ব স্তরে সংগঠনের প্রত্যকের জন্ম তারিখ ও জন্ম নিবন্ধন/ভোটার আইডি নাম্বার সম্বলিত সংগঠনের নির্ধারিত কোড ব্যবহারে আইডি কার্ড হইবে।যাহা সংগঠনের পরিচয় বহন করবে এবং যাহা ব্যবহার আইনত বৈধ হইবে এবং সাংবাদিকদের ভূমিকায় কার্য সম্পাদনে আইনি বা প্রশাসনিক কোনো বাঁধা থাকবেনা।উন্নয়ন ও সত্যের জন্য সর্বত্র ও সর্বোচ্চ আদালতেও উক্ত আইডি প্রাধান্য থাকিবে।নির্ধারিত কোড ও QR কোড থাকায় জালিয়াতির সুযোগ নেই।যদি কেউ জালিয়াতির করে বা চেষ্টা করে সঠিক প্রমান পাওয়া গেলে সাংগঠনিক সহ প্রশাসনিক ও আইনি হস্তক্ষেপ নেওয়া হইবে।

৫.অন্যান্য শিদ্ধান্ত ও ঘোষনা প্রদানে কেন্দ্রীয় প্রধান ও মুল কমিটি আলোচনা মার্ফত নিতে পারবেন।সংগঠনের প্যাড সহ সকল কিছুকে সর্বত্র ও সর্ব আদালতে প্রাধান্য দেওয়া হইবে।

৬.গুরুপূর্ন বিশেষ ক্ষেত্রে স্ক্যান স্বাক্ষর প্রযোজ্য হইবে না।কমিটি ও সাধারন নোটিস ব্যাতিত।কমিটি ও সাধারন নোটিসের ক্ষেত্রেও আলোচনাসহ রেজুলেশন বইয়ে তাহা লিপিবদ্ধ থাকিবে প্রমান স্বরুপ।

৭.অপপ্রচার ও সকল অপরাধ থেকে বিরত থাকতে হবে অন্যাথায় সংগঠন তাহার কোনো দায় থাকবেনা।
কারো কারনে বা উক্ত কারনে সংগঠনের কোনো রূপ কার্য বন্ধ থাকিবেনা।

৮/ বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ বা প্রতিষ্ঠাদের নামে কোনোরূপ অভিযোগ বা মামলা বিরোধীরা করিতে পারিবেনা।করিলেও তাহা গ্রহনীয় হইবে না উক্ত কোর্ট ঘোষনা বলে।যাহা প্রশাসন সহ সর্বত্র ও সর্বোচ্চ আদালতেও গ্রহনীয় এবং বলবল থাকিবে।
৯.কারো বিরুদ্ধে সংগঠন কে কেন্দ্র করে কোন অপরাধ পরিলক্ষিত হইলে সাময়িক বরখাস্ত ও অপরাধ প্রমান হইলে স্হায়ী বরখাস্হ হইবে।
কারন কারো অপরাধের কারনে সংগঠনের সুনাম বা কোনো ক্ষতি কোনো ভাবেই গ্রহনীয় নহে এবং সংগঠনের নামে কোনো অপপ্রচার বা অভিযোগ বা মামলা গ্রহনীয় হইবে না,যাহা উপরের ধারায় উল্লেখ রহিয়াছে।

১০.যে কেহ সংগঠন বিভাজনের চেষ্টা বা বিরোধী হলে তাহাকে দল থেকে চিরতরে বের করে দেওয়া হইবে এবং  যুক্ত সকলকে যথোপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা হইবে।সংগঠনের কোনো কিছগ ব্যবহার তাহাদের জন্য অবৈধ বলে গন্য হইবে।

অনুচ্ছেদঃ২৭

বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ যে দিবসগুলো পালন করবে সেগুলোকে মাঠ ও অনলাইনে প্রচারনা করতে হবেঃ
১। ১০ই জানুয়ারীঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
২। ২১শে ফেব্রুয়ারীঃ আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহীদ দিবস।
৩। ৭ই মার্চঃ স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা মূলক ঐতিহাসিক দিবস।
৪। ১৭ই মার্চঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিবস।
৫। ২৬শে মার্চঃ মহান স্বাধীনতা দিবস।
৬। ১৭ই এপ্রিলঃ মুজিব নগর দিবস।
৭। ১লা মেঃ মহান মে দিবস।
৮। ১৭ মেঃ জননেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
৯। ৭ই জুনঃ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস।
১০। ২৩ জুনঃ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী দিবস।
১১। ১৫ই আগষ্টঃ জাতীয় শোক দিবস।
১২। ২১শে আগষ্টঃ গ্রেনেট হামলা দিবস
১৩। ২৮শে সেপ্টেম্বরঃ জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন
১৪। ৩রা নভেম্বরঃ জেল হত্যা দিবস।
১৫। ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষিত দিবস।
১৬। ১৪ই ডিসেম্বরঃ শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস।
১৭। ১৬ই ডিসেম্বরঃ জাতীয় মহান বিজয় দিবস।
১৮। বিবিধঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর উন্নয়ন ও ঘোষিত সকল কর্মসূচী মাঠ পর্যায়/অনলাইন থেকে তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইনে ১০০% প্রচারনা সকল কমিটির করতে হইবে।

অনুচ্ছেদ ২৮.

মুজিব আদর্শে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, শিক্ষা যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নতি লক্ষ্যে বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ আওয়ামীলীগ সহযোগি সংগঠন হয়ে আওয়ামীলীগকে সম্মানিত ও বাংলাদেশকে ডিজিটাল সোনার বাংলাদেশ হিসাবে দেশ ও বিশ্বে উন্নয়ন কার্যক্রম অনলাইন ৬০% ও মাঠ পর্যায়ে ৪০% প্রচারনার অঙ্গিকার।

বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি লীগ BICTL
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবি হোক,
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান /কেন্দ্রীয় সভাপতি
মোঃরুমান মাহমুদ,

ভারঃসাধারন সম্পাদক শরিফুল ইসলাম

কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা”প্রেস সম্পাদক”

মোঃ শাহারুল ইসলাম(শাহীন)

ও কেন্দ্রীয় কমিটি প্রকাশিত  নেতৃবৃন্দ।

সূত্রঃ www.ictlbd.  org

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × 1 =

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2018 - 21.  LatestNews BICTL.

(ictlbd.org and  bd-tjprotidin.com উন্নয়ন প্রচারের অঙ্গিকার) --------------------------------------------------★★★-------------------------------------   বিঃদ্রঃ এই ওয়েবসাইট এর কোনো তথ্য ও ছবি হুবহু কপি করা সম্পূর্ন নিষেধ। ( N.T.B: copyrights not allowed)
ডিজাইন ও ডেভলাপ : মোস্তাকিম জনি